Sunday, October 2, 2016

আর্টিকেল রাইটিংয়ের মাধ্যমে আয়




আর্টিকেল রাইটিং কি :

আর্টিকেল রাইটিংবা কন্টেন্ট রাইটিং হচ্ছে একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
যাদের ইংরেজীতে রয়েছে অগাধ দক্ষতা তারাই নিজেদেরকে রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন অনায়াসে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে বিভিন্ন উদ্দেশে আর্টিকেল লিখা হয়। ব্লগ আরটিকেল ছাড়াও প্রডাক্টের রিভিঊ, সারভিসের সেলস পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোরস বই, ব্রশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারনার কাজে রাইটারদের আরটিকেল লিখার প্রয়োজন হয়।

প্রকারভেদ :

আর্টিকেল রাইটিংয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ থাকলেও এই লেখায় চার ধরনের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম দুই ধরনের কাজ কম পারিশ্রমিকের। বাকি দু’টি বেশি পারিশ্রমিকের। স্বাভাবিকভাবেই আপনার ভাষাজ্ঞান কম হলে, যোগ্যতা কম থাকলে পরের দু’টি কাজ পাবেন না।

কম পারিশ্রমিকের কাজ দু’টি হলো :
০১. Rewriting এবং
০২. Snippet বা Short Article Writing।

এক কথায় Rewriting হলো একটি ৩০০-৬০০ শব্দের লেখার মূল তথ্য ঠিক রেখে আর্টিকেলটিকে নিজের ভাষায় লেখা যেন পরের লেখাটি প্রথম লেখার নকল না হয়।
আর Snippet বা Short Article Writing হলো কোনো বিষয়ে ১০০-১৭০ শব্দের লেখা তৈরি করা। এক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি বিষয়ের ওপরই ৫, ১০, ২০ অথবা ৩০টি লেখা চাইতে পারে।

বেশি পারিশ্রমিকের কাজ দু’টি হলো :
০১. আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং এবং
০২. প্রুফরিডিং ও এডিটিং।

এক কথায় আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং হলো কোনো বিষয়ে ৪০০-৬০০ শব্দের লেখা তৈরি করা, যা কোনোভাবেই কোথাও থেকে হুবহু নিয়ে তুলে দেয়া যাবে না। এটি ধরা পড়লে এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। আর Proof reading হলো কোনো লেখার বানান, গ্রামার, স্টাইল ইত্যাদির ভুল শুধরে দেয়া। এর সাথে এডিটিং হলো লেখাটিকে আরো আকর্ষণীয় ও শুদ্ধ করে তোলা।


কীভাবে প্রস্ত্ততি নেবেন :

APA Style, MLA, Chicago style proofreading জানাটা জরুরি। APA হলো American Psychological Association এবং MLA হলো Modern Languages Association. এছাড়া ব্রিটিশ ইংরেজির জন্য অক্সফোর্ড স্টাইলের Proof reading ও Editing জানলেও ভালো কাজ দেবে।
এসব প্রুফরিডিং বিষয়ে অনলাইন থেকে অনেক সাহায্য পাবেন। নীলক্ষেতেও বই পাবেন আশা করি। তবে নিয়মগুলো বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। ওডেস্কে এগুলোর পরীক্ষা আছে। পরীক্ষাগুলোয় প্রথম ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশের মধ্যে থাকলে এ ধরনের কাজ পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।
এছাড়া আপনি নমুনা হিসেবে একটি দুর্বল লেখা জোগাড় করে তার প্রুফরিডিং এবং এডিটিং করে রাখুন। প্রয়োজনে এমপ্লয়ারকে দেখাতে পারবেন। এছাড়াও ইজিনআর্টিকেলসডটকমে কয়েকটি আর্টিকেল প্রকাশ করে রাখুন নমুনা হিসেবে দেখানোর জন্য।
সাফল্য আপনার হাতের মুঠোয় আসবে, যদি সঠিক প্রস্ত্ততি নেয়ার পর কাজের জন্য বিড করা শুরু করেন এবং ডেডলাইন মেনে কাজে ফাঁকি না দিয়ে এগোতে থাকেন। তাহলে এমপ্লয়ারেরা আপনাকে ছাড়তে চাইবে না।
ট্রানস্লেশন : ইংরেজি-বাংলা বা বাংলা-ইংরেজির অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কম থাকে। বরং প্রফেশনাল সাইট যেমন- ট্রানস্লেটরসবেজডটকম, প্রজডটকম ইত্যাদি সাইটে থাকে এবং এসব সাইটে প্রথমেই পে করে মেম্বারশিপ নিতে হয়। তাই সমস্যা। ব্যক্তিগতভাবে অনুবাদের কাজে আগ্রহ থাকলেও এ সমস্যার জন্য কাজ করা সমস্যা হয়।
ট্রান্সক্রিপশন : এটি খুবই ভালো আয়ের সুযোগ করে দিতে পারে যদি আপনি দক্ষ হতে পারেন। আপনাকে করতে হবে : একটি অডিও ফাইল কানে শুনবেন বা একটি ভিডিও দেখবেন এবং সেখানে উচ্চারিত ইংরেজি হুবহু টাইপ করে দেবেন।

অর্থাৎ আপনার প্রয়োজন মূল দু’টি দক্ষতা : ০১. ইংরেজি শুনে বোঝা এবং ০২. দ্রুত টাইপিং দক্ষতা।
এতে রেট কেমন হয়? সাধারণত এক ঘণ্টার অডিও বা ভিডিওর জন্য ১০-১৫ ডলার। আপনি যদি শুধু এই কাজের জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠেন, তাহলে বেশ কাজের সুযোগ আছে।
সামারাইজেশন : সামারাইজেশন কাজটি হচ্ছে একটি আর্টিকেল বা ব্লগ পোস্টকে ১০০-১৫০ শব্দে রূপ দেয়া। কখনো কোনো বইয়ের সংক্ষিপ্ত রূপও চাইতে পারে।
রিজিউম রাইটিং : আমেরিকান কর্পোরেট জগত বা ইন্টারনেট জগতের জন্য উপযুক্ত রিজিউমে বা সিভি তৈরি করতে পারলে এ ধরনের কাজও যথেষ্ট পাওয়া যাবে।
প্রেস রিলিজ রাইটিং : বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রেস রিলিজ লেখার কাজ প্রায়দিনই পাওয়া যাবে। এজন্য আপনাকে প্রেস রিলিজ লেখার সঠিক ফরমেট ও স্টাইল জানতে হবে। এজন্য হয়তো পিআরওয়েবডটকম সাহায্য করতে পারে। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনি সঠিক স্টাইলে পিআর তৈরি করতে পারেন।
প্রেস রিলিজের পেমেন্ট আর্টিকেল রাইটিংয়ের চেয়ে বেশি হয়। একটির জন্য ৫-১০ ডলার হয়ে থাকে। কাজও প্রায়ই থাকে।
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন : এটি আসলে ইংরেজি ও পাওয়ার পয়েন্ট দক্ষতার সমন্বয়। আপনাকে কোনো বইয়ের চ্যাপ্টার বা মিটিংয়ের বিষয়বস্ত্ত বা টিউটোরিয়াল সম্বন্ধে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে হবে। পেমেন্ট ভালো। মাঝে মাঝেই কাজ থাকে।


প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারঃ
  
*Dupe free Pro software.
 * Word web.
* Note pad.
* MS Word.
* File Format Converter.

কোথায় কাজ পাবেনঃwww.upwork.com, www.freelancer.com,www.elance.com এই সাইট গুলোয় মুলত ভাল মানের কাজ পাবেন।তবে এছাড়াও আছে অনেক গুলো মাধ্যম।নিচে আলোচনা করছি।


1. Squidoo
আর্টিকেল লিখে অর্থ উপার্জনের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সাইট স্কুইডো। সারা বিশ্বব্যাপী এই সাইটটির জনপ্রিয়তা রয়েছে। সুতরাং এই সাইটের ভিজিটর সংখ্যাও প্রচুর। এখানে আপনি যে কোন বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে আর্টিক্যাল লিখতে পারেন। স্কুইডো সাইটে আর্টিক্যালগুলি লেন্সেস (Lenses) নামে পরিচিত। যখনই আপনি এ সাইটে কোন আর্টিক্যাল বা লেন্স পোস্ট করবেন এবং সেটি প্রকাশিত হবে, তখন আপনার আর্টিক্যালের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বা সাইট কতৃক নির্ধারিত বিজ্ঞাপনগুলি ঐ পেজে প্রদর্শিত হবে।
ঐ বিজ্ঞাপনগুলি বিভিন্ন প্রোডাক্টের, যেগুলি মূলত আমাজন, ইবে ও অন্যান্য ইকমার্স সাইটের যা স্কুইড তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকে। আপনার লেন্সে ঐ বিজ্ঞাপনগুলি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্কুইডো যে পরিমান অর্থ আয় করবে তার অর্ধেক এটি আপনাকে প্রদান করবে। আপনি আপনার উপার্জনের টাকা পেপাল বা স্কুইডোর নির্ধারিত অন্যান্য পেমেন্ট সিস্টেমের যেকোন একটির মাধ্যমে তুলতে পারবেন।
2. Hubpages
হাবপেজ এবং স্কুইডো প্রায় একই ধরনের। এখানেও আপনি আর্টিক্যাল বা “হাবস” লিখলে আপনার আর্টিক্যালের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। এ বিজ্ঞাপনগুলি গুগল এডসেন্সের। এছাড়াও হাবপেজের রয়েছে “এড প্রোগ্রাম”। যেখানে হাবপেজ এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাজন ও ইবে এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে থাকে।
গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে পেমেন্ট পেতে হলে আপনার একাউন্টে ১00 ডলার জমা হতে হবে। অপরদিকে হাবপেজের ”এড প্রোগ্রাম” এর ক্ষেত্রে পেমেন্ট তুলতে হলে আপনার একাউন্টে কমপক্ষে ৫০ ডলার জমা হতে হবে। আপনি পেপালের মাধ্যমে আপনার টাকা তুলতে পারবেন।
3. Helium
হিলিয়াম হচ্ছে আরেকটি জনপ্রিয় সাইট যেখানে আর্টিক্যাল লিখে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এখানে আপনি আপনার নিজের পছন্দ অনুসারে টপিক বা বিষয়বস্তু বেছে নিয়ে লিখতে পারেন অখবা হিলিয়ামের ক্লায়েন্টদের জন্য তাদের এসাইনমেন্ট ড্যাশবোর্ড অনুসারে লিখতে পারেন। হিলিয়ামে অর্থ উপার্জন হয় মূলত এসব ”এসাইনমেন্ট-বেসড আর্টিক্যালগুলি”র মাধ্যমে যেগুলি বিভিন্ন পাবলিশার বা ব্র্যান্ড কোম্পানী কিনে নেয যাদের ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্টের জন্য কনটেন্ট প্রয়োজন।
এছাড়াও আপনি তাদের “এড রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রাম” ব্যবহার করেও অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার আর্টিক্যালটি কি পরিমাণ ভিজিটর তাদের সাইটে আনবে সেটির উপর ভিত্তি করে আপনাকে পেমেন্ট দেওয়া হবে। আপনার একাউন্টে ২৫ ডলার জমা হলেই আপনি টাকা তুলতে পারবেন।
4. Triond
ট্রাইঅনড আরেকটি নামকরা ”রাইটিং কম্যুনিটি”। এখানে আপনার লেখা আর্টিক্যালগুলি বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে পোস্ট হবে। আপনি চাইলে ট্রাইঅনড সাইটে আপনার আর্টিক্যালের সাথে অডিও, ভিডিও এবং ছবি একসাথে পোস্ট করতে পারবেন। পরবর্তীতে আপনি যে বিষয়ের উপর লিখেছেন সে বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোন ওযেবসাইটে এগুলি প্রকাশিত হবে।
আপনি আপনার ইউজার ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে আপনার আর্টিক্যালটি কতবার দেখা হয়েছে বা কোন কমেন্ট পড়েছে কিনা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। প্রতিমাসে আপনি আপনার আর্টিক্যাল থেকে উপার্জিত অর্থের ৫০% ক্যাশআউট করতে পারবেন।
5. Fiverr
ফিভার হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার “লেখনী দক্ষতা” বা বিভিন্ন সার্ভিস বিক্রয়ের জন্য অফার করতে পারেন। এখানে প্রত্যেকটি সার্ভিসের মুল্য একদম নির্ধারিত এবং সেটি হচ্ছে ৫ ডলার। সাইট কতৃপক্ষ ১ ডলার কেটে রাখবে এবং আপনাকে দেওয়া হবে ৪ ডলার। আপনি এখানে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা যেকোন বিষয়ের উপর ৫ ডলারের বিনিময়ে আর্টিক্যাল লিখে দেওয়ার অফার করতে পারেন। এরপর কোন ক্লায়েন্টের যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সে ঐ ৫ ডলার সাইটে প্রদানপূর্বক আপনাকে দিয়ৈ আর্টিক্যাল লিখিয়ে নিতে পারেন। পরবর্তীতে সাইট কতৃপক্ষ আপনাকে ঐ প্রদানকৃত অর্থ থেকে ৪ ডলার প্রদান করবে।
আপনি পেপালের মাধ্যমে আপনার জমাকৃত টাকা তুলতে পারবেন। এই সাইটে আপনি যত বেশি অফার বিক্রয় করতে পারবেন আপনি ততবেশি লেভেল ‘আনলক’ করতে পারবেন এবং আপনার জন্য আরো বেশি সুযোগ সুবিধা উন্মুক্ত হবে।
6. Yahoo!Contributor Network
আপনি ইয়াহু কন্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারেন। আপনি এখানে সাইন আপ করলে প্রতিদিন আপনার আর্টিক্যালের জন্য নির্ধারিত এসাইনমেন্ট পেয়ে যাবেন। বেশিরভাগ এসাইনমেন্টের বাজেটই ২ ডলার থেকে শুরু করে ২৫ ডলার পর্যন্ত (কিংবা তার চেয়েও বেশি) হয়ে থাকে। অপরদিকে আপনি নিজেই কনটেন্ট তৈরী করে সেটির মাধ্যমে আয় করতে পারেন যেখানে বাজেটের পরিমান ২ ডলার থেকে ১৫ ডলার পর্যন্ত।
আপনার লেখা আর্টিক্যালগুলি ইয়াহুর বিভিন্ন সাবডোমেইন যেমন ইয়াহু নিউজ, শপিং, স্পোর্টস ইত্যাদিতে প্রকাশিত হবে। এখান থেকে আপনি পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট তুলতে পারবেন।
এই সাইটটিতে বিভিন্ন ধরনের আর্টিক্যালের কেনা বেচা হয়। এই সাইট থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে আপনাকে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কোয়ালিটিসম্পন্ন আর্টিক্যাল লিখতে হবে। এই ওয়েবসাইট থেকে ভিজিটারগণ অনেক কনটেন্ট বা আর্টিক্যাল কিনে থাকেন। যদি আপনার আর্টিক্যালটি তাদের পছন্দ হয় তবে আপনিও নির্দিষ্ট অঙ্কের একটি অর্থ পাবেন।
এখানে প্রতিটি আর্টিক্যালের জন্য আপনি পাবেন ১.৫০ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত। তো আর দেরী কেন? রেজিস্টার করে কাজ শুরু করে দিন এখনই।
8. Constant Content
আপনি কনস্ট্যান্ট কনটেন্ট সাইটে আর্টিকেল লিখেও আয় করতে পারেন। এই সাইটে লেখকগন তার কোন কন্টেন্ট একাধিক গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করতে পারে। এছাড়াও এখানে “পাবলিক রিকুয়েস্ট সিস্টেম” নামে আরো একটি অপশন আছে যেখানে লেখক তার কোন কনটেন্ট সাবমিট করতে পারেন। এ কন্টেন্টগুলি মুলত সেসব ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে সাবমিট করা যারা কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কন্টেন্ট খুঁজছেন।
9. Bukisa
এই ওয়েবসাইটের আর্টিক্যালের বিষয়বস্তু মূলত অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। সুতরাং এখানকার বেশির ভাগ আর্টিক্যালই “How to” টাইপের বা কোন কিছু কিভাবে করতে হয় সে বিষয়গুলি-ই মুখ্য। সুতরাং এখানে লিখতে পারেন আপনার কোন আগ্রহের বিষয় নিয়ে বা অভিজ্ঞতা নিয়ে।
এখানে আপনার আয় নির্ভর করবে আপনার আর্টিক্যালগুলির মাধ্যমে গুগল এ্যাডসেন্সের আয়ের উপর। এখানে আপনি আরও লেখকের সাহে পরিচিত হতে পারবেন। আপনি এই সাইটে রেজ্ষ্ট্রিার করতে পারেন।
10. ‍Article Teller
আর্টিক্যালটেলার সাইটে আপনি বিভিন্ন কাস্টমারদের জন্য আর্টিক্যাল লিখতে পারেন। এ সাইটে অনেক কাস্টমার কন্টেন্ট কেনার জন্য আসে। আপনার লেখার হাত যদি ভাল হয় এবং নিয়মিত এই সাইটে লিখেন তাহলে আপনার রাইটিং লেভেল বেড়ে যাবে। আপনার লেভেল যত বাড়তে থাকবে আপনার আয়ের পরিমাণ ও তত বাড়তে থাকবে।
কাস্টমার একটি আর্টিক্যালের জন্য আপনাকে যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে সাইট কতৃপক্ষ সেখান থেকে ১৯% কেটে রেখে বাকি ৮১% আপনাকে দেবে। এ সাইট থেকে পেপালের মাধ্যমে টাকা তোলা যায়।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশঃটিউনার পেইজ,জেনেসিস ব্লগ ।
Share:

Saturday, October 1, 2016

UpWork কি ? যাদের জ্ঞান একেবারেই শূন্য তাদের জন্য






প্রশ্নঃ UpWork কি ? UpWork এ  কিভাবে কাজ করতে হয় ? UpWork এ কি কি কাজ পাওয়া যায় ?UpWork এর কোন কাজের উপর ট্রেনিং নিব বা কোন কাজ শিখলে UpWork এর জন্য ভাল হবে ?

উত্তরঃ  UpWork কিঃ  UpWork হল একটি ওয়েব সাইট  যেখানে ভিবিন্ন ক্যাটাগরির কাজ কে সাজিয়ে রেখেছে, আর সেখানে ২ ধরনের ব্যাক্তি রেজিস্ট্রেশন করে থাকে।
১। ক্লায়েন্ট যে কাজ দিবে ২। কনট্রাক্টর যে কাজ করবে

বিস্তারিতঃ

ক্লায়েন্টঃ যে কোন ব্যাক্তি যাদের কাজ দরকার যে কাজ দিবে বা যে কাজ করাতে চাচ্ছে এবং কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক দিতে প্রস্তুত ঠিক তখন UpWork এ রেজিস্ট্রেশন করে একটি প্রোফাইল করে এবং যে ক্যাটাগরির কাজ দরকার সেটি সিলেক্ট করে তার কাজ পোষ্ট করে, এবং এক বা একাধিক কাজ সে পোষ্ট করতে পারবে তবে ক্লায়েন্ট কে অবশ্যই কাজের বিনিময়ে পেমেন্ট UpWork এ যে তার কাজ টি করে দিয়েছে তার প্রোফাইলে দিবে, কাজ সাধারণ ২ ভাবে পোষ্ট করে থাকে,
১। ফিক্সড প্রাইস কাজঃ একটা কাজের জন্য নির্দিষ্ট প্রাইস
উদাহরণঃ একটি লোগো দরকার এবং এর জন্য আমি $40 দিব,

২। আওয়ারলি কাজঃ একটা কাজের জন্য নির্দিষ্ট টাইম দেয় এবং সেই টাইম এর মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে

উদাহরণঃ একটি লোগো দরকার এবং এর জন্য ক্লায়েন্ট ৫ ঘণ্টা সময় দিব এর মধ্যে আপনাকে করে দিতে হবে, আর প্রতি ঘণ্টায় ক্লায়েন্ট $৮ করে দিবে

২। কনট্রাক্টরঃ যে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং কাজের বিনিয়মে পারিশ্রমিক নিবে, তবে সে ক্ষেত্রে তার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে সেই কাজের উপর যা UpWork এ ভিবিন্ন ক্যাটাগরির তে সাজিয়ে রেখেছে, এবং তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা অনুযায়ী UpWork এ একটি প্রোফাইল করতে হবে, UpWork এর নিয়ম অনুযায়ী প্রোফাইলটি ১০০% করতে হবে, তারপরে উপড়ে ক্লায়েট এর পোষ্ট করা কাজে এপ্লায় করতে হবে ফিক্সড প্রাইস অথবা আওয়ারলি, তবে এপ্লায় করার পূর্বে অবশ্যই দেখে নিতে হবে ক্লায়েন্ট এর প্রোফাইল, যেমনঃ ক্লায়েন্ট এর পেমেন্ট সিস্টেম ভেরিফাই করেছে কিনা, কত জন কে আগে কাজ দিয়েছে, কত ডলার খরচ করেছে, অন্যদের কে ঘণ্টায় কত ডলার করে দিচ্ছে এবং অন্যান্য কনট্রাক্টর দেয়া তার  ফিডব্যাক স্কুর , যদি সব কিছুই ভাল তাহলে কাজে এপ্লায় করতে কোন বাঁধা নেই তবে একটা জব এ ১০০ জন ও এপ্লায় করতে পারে, সেক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট যাকে পছন্দ করবে তাকেই কাজ দিবে কিন্তু ১০০ জনের মধ্যে আপানকে কেন কাজ দিবে ? তাহলে প্রোফাইল অনেক ভাল করে সাজাতে হবে এবং এপ্লায় করার সময় ক্লায়েন্ট যা চাচ্ছে তা যেন পরিপুর্ন থাকে, ধরে নিলাম আপনি কাজ টি পেয়েছেন, তাহলে আপনি আপনার সর্বচ্চ চেষ্টা করবেন কাজ সাকসেসফুল হওয়ার, ধরে নিলাম কাজ সাকসেসফুল এবং প্রথম পেমেন্ট পেলেন :D এর জন্য আপানকে UpWork এর নিয়ম অনুযায়ী কিছু দিন অপেক্ষা করার পড় আপনার একাউণ্ট পেমেন্ট আসবে ঠিক তখন ই আপনি পেমেন্ট উটাতে পারবেন মাধ্যম হিসবে, ব্যাংক, স্ক্রিল, পেওনার মাস্টার কার্ড দিয়ে।

UpWork এ কি কি কাজ পাওয়া যায় ঃ UpWork এর নিজস্ব কোন কাজ নেই, তবে UpWork এ যে কাজ গুলো সাজিয়ে রেখেছে তা নিচে লিংক এ গিয়ে দেখে নিন

UpWork এর কোন কাজের উপর ট্রেনিং নিব বা কোন কাজ শিখলে UpWork এর জন্য ভাল হবেঃআগেই বলেছি UpWork এর নিজস্ব কোন কাজ নেই তবে আপনি উপড়ে লিংক দেয়া যে কাজ টি আপনার ভাল লাগে টিক সেটাই শিখবেন, অন্যের পছন্দ করা কোন কাজ শিখতে যাবেননা, ২ দিন পড় আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তখন নিজের পছন্দেই আবার ফীরে আসতে হবে তাতে করে অনেক সময় নষ্ট হবে, হা অন্যরা হয়ত কোন কাজ ভাল এবং কাজের মান বলে দিতে পারে বাকিটা আপনার পছন্দ মত কাজ সিলেক্ট করে শিখে নিবেন, তবে এত বড় লিস্ট দেখে মাথা হ্যাং হয়ে গেছে কি ছাতার কাজ পছন্দ করব, হা সে ক্ষেত্রেও আপানকে কষ্ট করতে হবে
যেমনঃ UpWork এ গিয়ে প্রতিটা ক্যাটাগরির কাজ এ ক্লিক করে দেখেন, কোণ কাজে ক্লায়েন্ট কত করে পেমেন্ট দিচ্ছে আর কি পরিমাণ কনট্রাক্টর কাজের জন্য এপ্লায় করতেছে তাহলেই কাজের মান বুঝে যাবেন,  তাছাড়াyoutube.com এ গিয়ে একটা একটা করে করে সার্চ দেন, দেখবেন টিউটিরিয়াল চলে আসছে, আর টিউটিরিয়াল গুলো দেখেন ভাল করে আর বুঝেন কোন কাজটি আপনি সহজেই বুঝতেছেন, কোন কাজ মনে করতেছেন যে হা এটি আমার জন্য পারফেক্ট যখন পারফেক্ট তখন ঐ কাজটি শিখবেন, যদি মনে করেন যে ঐ কাজটি আপনি ইন্টারনেট থেকে কিছুই শিখতে পারতেছেন্না ঠিক তখন কোন একপার্টদের কাছ থেকে শিখে নিবেন অথবা ভাল যারা আসলেই কাজ শিখায় তাদের কাছ থেকে কাজ শিখে নিবেন,

শেষকথাঃ আপনার যদি কাজের দক্ষতা থাকে শুধু UpWork কেন যে কোন যায়গায় আপনি ভাল কাজ করতে পারবেন, আপনার কাজের দক্ষতা UpWork এর জন্য নির্দিষ্ট নয়
Share:

Wednesday, September 28, 2016

Cover Letter Writing Tips- Upwork

আপওয়ার্ক কভার লেটার লিখার বিষয়ে কিছু টিপস

 

আপওয়ার্ক বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে নতুন জবে অ্যাপ্লাই করার সময় কভার লেটার সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করে। একটি সুন্দর, ছোট এবং মার্জিত কভার লেটার জব পেতে ৯০% পর্যন্ত সহায়তা করতে পারে। আর অনেকেই কভার লেটার লিখার সময় সাধারণ কিছু ভুল করে থাকে। যার ফলে প্রথমেই তারা রিজেক্ট হিসেবে চলে যান।
কিভাবে লিখবেন কভার লেটার? কিভাবে লিখলে জব পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যাবে? কিভাবে লিখলে আপনি সহজেই ক্লাইন্টের চোখে পড়বেন? সেটাই আজকের আলোচনার বিষয়।
Cover Letter Writting Tips 
  • প্রথমেই জব পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন। বুঝতে চেষ্টা করুন ক্লাইন্ট কি চেয়েছে এবং তার জব এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় ক্লাইন্ট অবগত নন। বা কি কি ভুল রয়েছে। সেই সাথে প্রয়োজনে গুগল করে জবটির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় রিসার্চ করে নিন। এবং প্রয়োজনে কভার লেটার লিখার আগেই একাধিক বার পোস্টটি পড়ে নিন।
  • এবার কভার লেটার লিখার সময় প্রথমেই তার নাম জানা থাকলে তার নাম উল্লেখ করে সম্বোধন জানান। যেমন “Dear Mr. Derick” or “Mr. Derick” ইত্যাদি। নাম জানা না থাকলে “Dear Hiring Manager,”  ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু একটু স্মার্ট হতে গিয়ে “Hey Derick,” “What’s up, Derick?” ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না। এতে আপনি রিজেক্ট হতে পারেন।
  • এরপরের লাইনেই তার প্রোজেক্ট এর ব্যাপারে তার যে সকল সমস্যা হচ্ছে তা নিয়ে ছোট একটি প্যারাগ্রাফ লিখুন। যেমন ধরুন তার প্রোজেক্ট পোস্ট এর ভুল সমূহ, প্রোজেক্ট এর সফলতা অর্জনের পদক্ষেপ ইত্যাদি। তবে যতোটা সম্ভব ছোট করে কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্য সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন। আর এখানে প্রোজেক্টটি কিভাবে সম্পূর্ণ করলে সবচেয়ে ভালো হতে পারে তাও উল্লেখ্য করতে পারেন।
  • এরপর আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এক্ষেত্রেও আপনাকে অল্প কথায় যতোটা সম্ভব বর্ণনা দিতে হবে।
  • এবার সর্বশেষ প্যারাগ্রাফ এ আপনি কিভাবে তার কাজটি শেষ করবেন তা নিয়ে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এক্ষেত্রে প্রধানত সংক্ষেপে আপনার কাজের ধাপ উল্লেখ্য করবেন। ক্লাইন্ট কিন্তু অবশ্যই কাজের ধাপগুলো কি হতে পারে তা জানে। তাই এক্ষেত্রে যদি আপনার কাজের ধাপ তার জানার সাথে মিলে যায়, কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যাবে। তবে কিছু কিছু ব্যাপার এখানে বলা ঠিক না। প্রধানত প্রতিটা কাজেই কিছু ব্যাপার থাকে যা সাধারণত ট্রিকস হিসেবেই আমরা বলি। আর এই ট্রিকসগুলো অনেক সময় কাজ পাওয়ার কারণ হয়ে দাড়ায়। উদাহারণ দিয়ে বলা যায় যে ক্লাইন্ট সেই এক বা একাদিক ব্যাপার জানেনা বলেই সে কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে। যে তার কাজটি করে দিবে। এক্ষেত্রে আপনি সেই ব্যাপারটি বলে দিলে অবশ্যই আপনি কাজটা হারাতে পারেন। কারণ সে নিজেই এখন কাজটি করে ফেলতে পারবে। আর কাজটি করতে কতো সময় লাগতে পারে তার ব্যাপারেও এখানে বলতে পারেন। আর সবসময়েই চেষ্টা করবেন এক্সট্রা টাইম সহ সঠিক টাইম বলতে। যে সময়ের ভিতর আপনি শেষ করতে পারবেন।
  • সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে পরের স্টেপ এ চলে যান। অনেক সময়েই দেখবেন ক্লাইন্ট বেশ কিছু প্রশ্ন করে থাকে। চেষ্টা করুন সেখানে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেয়ার জন্য। আর কোনমতেই বক্সটি শুন্য রাখবেন না। যদি উত্তর দেয়া সম্ভব না হয় তবে গুগল করে উত্তর জেনে নিতে চেষ্টা করুন। আর এখানে মিথ্যে বলাটা একটা বড় ভুল। ক্লাইন্ট এখানের উত্তর অনুযায়ী আপনাকে ইন্টারভিউ নেয়ার সময় প্রশ্ন করতেই পারে এবং তখন হয়তবা আপনি আটকে যাবেন।
  • সবসময়েই চেষ্টা করবেন যতোটা সম্ভব ছোট করে কভার লেটার লিখতে। কেনোনা ক্লাইন্ট কোন গল্প পড়তে আসেনি। যতো বড় করবেন তার জন্য ততোই বিরক্তির কারণ হতে পারে। যার কারণে বেশীরভাগ ক্লাইন্ট সাধারণত বড় কভার লেটারগুলো এড়িয়ে যান। আর ক্লাইন্ট না চাইলে লিংক/ফাইল ইত্যাদি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। ক্লাইন্টের তা প্রয়োজন হলে জব পোস্টেই তা উল্লেখ করবে। অনেক সময় ক্লাইন্ট বলেই দিবে লিংক বা ফাইল যুক্ত না করার জন্য। সেক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকা ভালো। কারণ আপনি তাও ফাইল বা লিংক যুক্ত করলে ক্লাইন্ট ধরেই নিবে আপনি জব পোস্ট পড়েননি।
  • সবসময়েই মার্জিত ভাষায় কভার লেটার লিখবেন। কপি পেস্ট কখনোই না। কেনোনা ক্লাইন্ট তা সহজেই ধরতে পারবে। আর কপি পেস্ট কভার লেটার সবচেয়ে বেশী রিজেক্ট হয় সাধারণত। যেহেতু আপনার একটি ছোট কভার লেটার লিখার মতো দুই মিনিট সময় নেই সেহেতু আপনার অবশ্যই কাজ করার সময়টিও নেই। তাছাড়া কপি পেস্ট করা কভার লেটার ব্যবহার করে কাজের ব্যাপারে ঠিকভাবে ক্লাইন্টকে বলা যায় না এবং তাতে ক্লাইন্টের মনে হতে পারে আপনি জব পোস্ট না পড়েই আবেদন করেছেন। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়াটাইতো স্বাভাবিক।
  • অনেক সময় কিছু কিছু জবের ক্ষেত্রে আরো সংক্ষেপে কভার লেটার লিখতে হয়। বিশেষত যখন ক্লাইন্ট জব ডেসক্রিপশনে বলেই দেয় যে সে এখনই কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে সময় থাকে কম এবং ক্লাইন্টও দ্রুত কভার লেটার পড়ে দেখতে চায়। তাই যতো সংক্ষেপে বিস্তারিত বলা যায় ততোই হায়ার হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। এরকম কয়েকটি কভার লেটার এর ছবি নিচে যুক্ত করে দিলাম। বলা বাহুল্য যে এগুলোর সবগুলোতেই একমাত্র আমাকেই ইন্টারভিউ এ ডাকা হয় এবং হায়ারও করা হয়। কভার লেটারগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন ক্লাইন্ট আমাকেই বেঁছে নেয়। আর প্রতিটা জবের ক্ষেত্রেই কিন্তু অনেক প্রতিযোগী ছিল।
আশা করবো এই পোস্টটি পড়ে আপনারা আরো সতর্কতার সাথে জব এর জন্য অ্যাপ্লাই করবেন এবং বুঝে শুনেই কভার লেটার লিখবেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে সবসময়েই আছি।

 

Share:

Tips to Get Work At Upwork For Old Freelancer

আসসালামুআলাইকুম,

যারা UPWORK এ অনেক দিন ধরে কাজ করছেন, কিন্তু এখন কাজ পাচ্ছেন না। তাদের জন্য আজকে আমার এই পোস্ট, শুধু মাত্র নিজের অভিজ্ঞতা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। কোনরুপ ভুল ত্রুটি ক্ষমাসরূপ দৃষ্টিতে দেখবেন।
কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনাকে ইংরেজি ভাল ভাবে জানতে হবে এবং যে কাজটিতে আপনি Bid করছেন তার সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে।
এখন কানেক্ট হয়াতে অনেক সমস্যা এর সম্মুখিন হতে হয়, দেখা যায় মাস শেষ হওয়ার আগে সব কানেক্ট শেষ হয়ে যায়। 

যে যে বিষয় কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণঃ

১। যে কাজ গুলো পোস্ট হয়,তার সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকলে Bid করবেন।

২। কাজ পোস্ট হওয়ার সময়টা দেখবেন, কাজটি যদি পোস্ট হয় ২-১০ মিনিট এর ভিতর চেষ্টা করবেন ওই কাজটি Bid করার জন্য। এতে কাজ পাওয়ার ৮০% সম্ভাবনা থাকে।

৩। Applicant List এ ১-১০ এর ভিতর থাকার চেষ্টা করবেন। কারন বেশিরভাগ ক্লায়েন্ট ১-১০ এর মধ্যে অ্যাপ্লাই গুলকে প্রাধান্য দেয়।

৪। আপনার জব success টি ৯০-১০০% এর ভিতর রাখার চেষ্টা করবেন। ক্লায়েন্টরা জব success কে অনেক প্রাধান্য দেয়। 
এই জব success এর বেপারে পরে আমি বিস্তারিত আপানাদের জানাবো যারা জানে না তাদের জন্য।

৫। আপনার Cover letter কে খুব সহজ করে উপস্থাপন করুন, যাতে করে ক্লায়েন্ট বুজতে পারে আপনি কি বলতে চাইতাছেন।
  
৬। Cover letter এ IT WHOM MAY CONCERN, Hey Whats up, এই লেখাগুলি পরিহার করুন। HELLO SIR, HI “CLINET NAME”, HELLO এই লিখা গুলি লেখার চেষ্টা করুন।

৭। যখন কোন কাজের রিপ্লাই আসবে চেষ্টা করবেন তারাতারি রেস্পন্স করার, দেরি করে রেস্পন্স করলে কাজ হারাবার সম্ভাবনা থাকে। কোন কাজ না বুজলে অভিজ্ঞদের সাহায্য নিন, নয়ত আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এ পোস্ট করুন। 

৮। এখন কানেক্ট সিস্টেম হওয়াতে তারাতারি কানেক্ট শেষ হয়ে যায়, আমি আপনাদের বলবো আপনারা মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে Bid করার চেষ্টা করবেন, কারন এতে অনেকে কানেক্ট শেষ হওয়ার কারনে তারা Bid করতে পারে না, অ্যাপ্লাই কম হলে কাজ পাওয়ার সুযোগ থাকে।

৯। ক্লায়েন্টদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করেন, তাদের কে কাজের ডেলিভারি খুব তারাতারি অ্যান্ড খুব নিখুত ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

আরও অনেক কিছু হয়ত মিস হয়েছে বা মনে পড়ছে না। কোন প্রকার ভুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর হ্যাঁ সবচেয়ে বড় যে বেপার সেটি হল হতাশ হবেন না। আর আমারা ত আছি আপনাকে সাহায্য করার জন্য, সো নো টেনশন।
Share:

"How to gain Rising Talent on Upwork"



আপওয়ার্ক যারা নতুন তাদের কাজ পেতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, অনেক সময় ২,১ টি কাজ করে আর কাজ পায় না আপওয়ার্ক এ একটি প্রোগ্রাম আছে নতুনদের জন্য সেটি হল “RISING TALENT” ব্যাজ।আজকের লিখা মূলত এই নতুনদের জন্য কিভাবে এই ব্যাজ পাবে তাদের অ্যাকাউন্ট এ। 


আপনি যদি “RISING TALENT” হতে চান তাহলে আপনার যা থাকতে হবেঃ


১। একটি ১০০% সম্পূর্ণ প্রোফাইল সঠিকভাবে আপনার পেশাদারী পরিচয় বজায় রাখে, সুতরাং আপনার প্রোফাইল টি যাতে ১০০% থাকে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। প্রোফাইল কিভাবে ১০০% করবেন, এই ভিডিওটি দেখলে বুজতে পারবেনঃ https://youtu.be/Q2ldxwKF2ss
 
২। আপনার availability স্ট্যাটাস সব সময় up-to-date রাখতে হবে। availability স্ট্যাটাস কোথায় up date রাখতে হবে এই স্ক্রিনশট টি দেখলে বুঝতে পারবেনঃ http://prntscr.com/cg5qia
 
৩। আপনার স্কিল প্রাসঙ্গিক বিষয় জব গুলোতে নিয়মিত বিড করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় আপনার জব স্কিল দেয়া এস ই ও কিন্তু আপনি বিড করছেন ডাটা এন্ট্রি জবে সে ক্ষেত্রে আপনি রাইজিং ট্যালেন্ট থেকে বঞ্ছিত হবেন, ইদানিং স্কিল প্রাসঙ্গিক জব বিড না করার কারনে অনেকের আপওয়ার্ক আইডি সাসপেন্ড করে দিচ্ছে। এই স্ক্রিনশট টি দেখলে বুঝতে পারবেন, একজন নিজের স্কিল প্রাসঙ্গিক জব বিড না করার  কারনে তাকে কিভাবে আপওয়ার্ক এ সাসপেন্ড করা হলঃ http://prntscr.com/cg5tzo
 
৪। আপওয়ার্ক এর সার্ভিস সংক্রান্ত শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। কি কি শর্তাবলী মেনে চলতে হবে তা বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্ক টি ভিজিট করুনঃ https://support.upwork.com/hc/en-us/articles/211067618
 
৫। ক্লায়েন্ট যখন কাজ দিবে, ভাল ভাবে এবং ক্লায়েন্ট এর মন মত কাজ ডেলিভারি দেয়ার চেষ্টা করবেন, এতে করে যেমন করে জব সাকসেস বাড়বে তেমন করে “RISING TALENT” হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকবে

৬। কাজটি নেবার পূর্বে আপনি যে সময়ের মধ্যে করে দেয়ার প্রমিজ করেছিলেন তা সঠিক সময়ের মধ্যে করে দিবেন। অর্থাৎ ক্লায়েন্ট কাজটি আপনাকে করার জন্য ৫ দিন সময় দিলে আপনি চেষ্টা করবেন ওই ৫ দিনের ভিতর কাজটি ডেলিভারি দেয়ার জন্য। 

৭। “RISING TALENT” হওয়ার জন্য আর একটি বিশেষ বিষয় হল আপনাকে ৯০ দিন অ্যাক্টিভ থাকতে হবে ((প্রপোজাল জমা দেওয়ার বা কাজ প্রদান করা)

উপরোক্ত বিষয় গুলো ফলো করলে আপনি আপনার আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট এ “RISING TALENT” ব্যাজ পাবেন।

“RISING TALENT” ব্যাজ পাওয়ার পর আপনি কিছু সুবিধা পাবেন আপওয়ার্ক থেকে, তা নিচে দেয়া হলঃ

১। আপনার প্রোফাইলে একটি “RISING TALENT”ব্যাজ দিবে, এবং যেটি আপনার ক্লায়েন্ট এর নিকট লক্ষণীয় হবে।

২। একটি প্রিমিয়াম মেধাবৃত্তি মধ্যে আপনাকে অন্তর্ভুক্তি করা হবে যাতে করে টপ ক্লায়েন্টরা আপনাকে খুজে পায়।

৩। আপনি ক্লায়েন্টদের কাছে প্রপোজাল জমা দেওয়ার জন্য 30 টি বিনামূল্যে কানেক্ট এককালীন বোনাস পাবেন।  

৪। আপনাকে বিশেষ একটি সাপোর্ট টিমের সাথে চ্যাট এবং টিকেট দেয়ার জন্য একসেস দেয়া হবে। 

৫। আপনাকে সাহায্য করার জন্য ব্যক্তিগতকৃত প্রোফাইল টিপস দিবে যাতে করে আপনি মার্কেট প্লেস এ  সফল ভাবে আপনার ফ্রিল্যান্স সেবা দিতে পারেন। 


কাজের বাহিরে সময় বের করে নতুনদের জন্য কিছু লিখার চেষ্টা করেছি, সম্পূর্ণ লেখা আপওয়ার্ক হেল্প পেজ থেকে নেয়া, জানি না ঠিক মত লিখতে পেরেছি কিনা। এর পরে কিভাবে পুরানো ফ্রীলাঞ্চার রা সহজে বিডের সাহায্যে কাজ পাবে তা আলোচনা করবো। আপনারা যদি লাইক, কমেন্ট শেয়ার না করেন তাহলে লিখতে উৎসাহ পাবো না। 

নতুন লিখছি জানি না কেমন হয়েছে,ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। উৎসাহ পেলে ভবিষ্যতে আরও ভাল কিছু লেখার চেষ্টা করব। 


ধন্যবাদ সবাইকে।
Share:

Pages